এমটিবির প্রথম একক আইএফআরএস এস১ ও এস২ প্রতিবেদন প্রকাশ
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) প্রথমবারের মতো একক আইএফআরএস এস১ ও এস২ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ‘ক্লাইমেট ক্যাটালিস্ট ফর রেজিলিয়েন্স ২০২৫’ শীর্ষক এ প্রতিবেদন সম্প্রতি রাজধানীর এমটিবি টাওয়ারে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটির মোড়ক উন্মোচনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের বিশেষজ্ঞদের পরিচালনায় ‘টেকসই অর্থায়ন ও বাংলাদেশ ব্যাংকের রিফাইন্যান্স স্কিমগুলো’ শীর্ষক দিনব্যাপী একটি কর্মশালারও আয়োজন করা হয়। এমটিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ট্রেজারি বিভাগের প্রধান মো. শামসুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা উসমান রাশেদ মুয়ীন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান মো. শাফকাত হোসেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান একেএম তারেক এবং সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান তাহমিনা জেড খান। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে এমটিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান ঝুঁকি কর্মকর্তা উসমান রাশেদ মুয়ীন বলেন, “প্রথম একক আইএফআরএস এস১ ও এস২ প্রকাশ এমটিবির টেকসই যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।” তিনি বলেন, জলবায়ু-সংক্রান্ত তথ্যের স্বচ্ছ প্রকাশ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের টেকসই অর্থায়ন ও রিফাইন্যান্স স্কিমের কার্যকর ব্যবহার ব্যাংকের সক্ষমতা আরও বাড়াবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এমটিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, “জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এখন ব্যাংকিং খাতের একটি কৌশলগত অগ্রাধিকার। প্রথম একক আইএফআরএস এস১ ও এস২ ডিসক্লোজার প্রকাশের মাধ্যমে এমটিবি একটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অর্থনীতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
প্রতিবেদন উন্মোচনের পর অনুষ্ঠিত কর্মশালায় টেকসই অর্থায়ন, জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রত্যাশা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন রিফাইন্যান্স স্কিম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা টেকসই ব্যাংকিং কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং জলবায়ু-সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।