রাশেদ খান
প্রধান মন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী
নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর তীর্যক আক্রমণের কারণে মির্জা আব্বাস ভাইকে মৃত্যুর মুখোমুখি চলে যেতে হয়। জাতীয় সংসদে আজকে তিনি কাঁদোকাঁদো ভাষায় কথা বলেছেন। পুরো সংসদ তার কথা শুনে স্তব্ধ হ2য়ে যায়। তিনি পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেন নি, নিজে হাঁটতে পারেন না, দেখে পড়লেও ভাষা অস্পষ্ট, এক হাত নাড়াতেও কষ্ট হয়! নির্বাচনের আগে নাতির বয়সী নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর বেয়াদবি তাকে সহ্য করতে হয়েছে! নির্বাচনের পরেও তার মানসিক অত্যাচার থেকে মির্জা আব্বাস ভাই রেহাই পায় নি। এমনকি হাসপাতালের বিছানায় থাকা অবস্থায় মির্জা আব্বাস ভাইয়ের প্রতিকৃতি বানিয়ে বক্সিং করে এই জঘন্য পাটোয়ারী।![]()
অনেকে বলতে পারেন অসুস্থতার জন্য কাউকে দায়ী করা যায় না। এটি সত্য। তবে দিনেরপর দিন ব্যক্তি আক্রমণ ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে স্ট্রোকের জন্য অবশ্যই দায়ী করা যায়। যেখানে ঢাকার বুকে দাপটের সাথে মির্জা আব্বাস ভাই রাজনীতি করেছেন, ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকাকে সংগঠিত করেছেন, ১৬ বছর অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন। সেই তাকে ওসমান হাদী হত্যার সাথে জড়িয়ে অপবাদ ও হাসপাতালে তার উপর মব করা হয়েছে। এগুলো তিনি মেনে নিতে পারেন নি। দীর্ঘদিন মাননীয় যন্ত্রণায় ভুগে শেষমেশ স্ট্রোকের কবলে পড়ে আজকের এই করুণ পরিণতি ভোগ করছেন। মির্জা আব্বাস ভাইয়ের স্ট্রোক কোন দুর্ঘটনা নয়, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর পরিকল্পিত ব্যক্তি আক্রমণের শিকার তিনি।![]()
![]()