মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর দিকনির্দেশনায় নতুন পথচলা
উজ্জ্বল শিকদার
সকল কৃতজ্ঞতা মাননীয় হুইপ এবং আমার রাজনৈতিক অভিভাবক মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু মহোদয় এর জন্য।
যিনি শরীয়তপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমার উপর যে মহান দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা আমি যেনো একজন ক্ষুদ্র সেবক হিসেবে পালন করতে পারি।
আমি জানি বর্তমান এডহক কমিটিতে আমরা যারা নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছি তাদের জন্য কাজটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ব্যাক্তিগত জীবনে আমি বরাবরই আশাবাদী মানুষ।
ডামুড্যা বাসী সকলেই প্রবলভাবে অবগত আছেন
বর্তমানে এই বিদ্যায়তনের সংকট কতো গভীরে।
সময় সংক্ষিপ্ত হলেও আমরা সকলে মিলে আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে চাই।
সেজন্য স্কুলের ছাত্রী,অভিভাবক,সাংবাদিক,সহকর্মী,রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ সকল শ্রেনী পেশার প্রতিনিধি দের সমন্বয়ে সবাইকে নিয়ে এই সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন-এটা বিশ্বাস করি।
৫ আগষ্ট/২৪ এর পরে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ আরো যে সকল প্রশাসনিক সমস্যা আছে সকল সমস্যাগুলোর যৌক্তিক সমাধান আমাদের প্রিয় নেতার পরামর্শে
এবং সহযোগীতায় শেষ করতে পারি।
এটা আমার দৃঢ় সংকল্প।
স্কুলের সংকট কালীন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যমে কিছু লিখনি আমার দৃষ্টিগোচরে এসেছে।
রাজনৈতিক পদ পদবী থাকার কারণে হয়তোবা সেই সময়টাতে সাথে থাকতে পারিনি। কিন্তু সচেতন
অভিভাবকদের অন্তরের চাহিদার বৈপরীত্য কোথাও প্রকাশ ও করিনি।
তাই আসুন, মতামত প্রকাশ করুন-নারী শিক্ষা প্রসারের জন্য এই বিদ্যায়তন যারা প্রতিষ্ঠা করেছেন তাদের স্মৃতির প্রতি যথার্থতা প্রকাশের
সুযোগ গ্রহন করি।
সকল আধার কেটে যাবে,এই বিদ্যাপীঠ তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে এবং সকলের সহযোগিতায় এগিয়ে যাবে।
শিক্ষার পরিবেশ, মানসম্মত শিক্ষা এবং অচিরেই যেনো আমাদের প্রিয় নেতা মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু ভাইয়ের হাত ধরেই সরকারি ডামুড্যা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হয়।
আপনাদের দোয়া এবং পরামর্শেই খাদের কিনারা
থেকে উঠে দাড়াতে এই বিদ্যালয়।