হুমায়ুন কবির
প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
রাজু আলীম
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় এভিয়েশন খাতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার। এ জন্য বিমানবন্দর অবকাঠামোর উন্নয়ন, জাতীয় বিমান সংস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক মানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, নতুন রুট ও ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো, কার্গো পরিবহন সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনবল তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে একটি কার্যকর আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এভিয়েশন খাত এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে এ খাতের সম্পর্ক নিয়ে আয়োজিত এক কনক্লেভে সরকারের এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, সরকার এমন একটি এভিয়েশন খাত গড়ে তুলতে চায়, যা শুধু দেশের যাত্রী পরিবহন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে না, বরং অর্থনীতি, বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগে নতুন গতি তৈরি করবে।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমরা এমন একটি এভিয়েশন খাত গড়ে তুলব, যা দেশকে সমৃদ্ধ করবে। এমন একটি নীতি গড়ে উঠবে যেখানে ব্যবসা করার পথ সুগম হবে এবং একই সঙ্গে যাত্রীদের বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করা হবে।’ তার মতে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এ খাতের বিকাশের জন্য বড় ধরনের সুযোগ তৈরি করেছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হলে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ পরিচালনা, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং, রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রশিক্ষণ—সব ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে প্রথমেই বিমানবন্দর অবকাঠামোর সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি জাতীয় বিমান সংস্থাকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাও গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
হুমায়ুন কবিরের মতে, এভিয়েশন অবকাঠামোর নেতৃত্ব বাংলাদেশকেই দিতে হবে। বিদেশি অংশীদার বা বিনিয়োগকারীরা সহযোগিতা করতে পারেন, কিন্তু দেশের হয়ে পুরো কাজ অন্য কেউ করে দেবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। তার ভাষায়, ‘আমরা যখন এটি করব, অন্যরা অংশীদার হবে। কিন্তু কেউ আমাদের হয়ে করে দেবে না। নেতৃত্ব আমাদেরই দিতে হবে।’
এভিয়েশন খাতের সম্প্রসারণে পর্যাপ্ত উড়োজাহাজের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, শুধু বিমানবন্দর নির্মাণ বা আধুনিকায়ন করলেই হবে না; নতুন রুট চালু করা এবং বিদ্যমান রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর মতো সক্ষমতাও তৈরি করতে হবে। সে জন্য বিমানবহর সম্প্রসারণ অপরিহার্য।
উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে দেশের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বোয়িং কিনবে নাকি এয়ারবাস কিনবে, সেটি দেশের নিজস্ব বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কোনো তৃতীয় পক্ষের প্রভাব এখানে থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি কার্গো পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও বিমানবহর পরিকল্পনায় বিবেচনায় রাখতে হবে।
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালকে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, তৃতীয় টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে সরকার দ্রুত এগোচ্ছে এবং এ নিয়ে একটি চুক্তি সম্পাদনের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রী তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে একটি আলোচনা কমিটি গঠন করেছিলেন। ওই কমিটিতে বিমানমন্ত্রী এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে তিনিও ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল বাংলাদেশের জাতীয় ও জনগণের স্বার্থকে সামনে রেখে দ্রুত আলোচনা শেষ করা এবং এমন একটি চুক্তি করা, যাতে উভয় পক্ষ লাভবান হয়।
তার ভাষায়, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন, বাংলাদেশের জাতীয় এবং জনগণের স্বার্থকে সামনে রেখে যত দ্রুত সম্ভব এ আলোচনা শেষ করতে এবং এমন একটি চুক্তি করতে, যা উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক অর্থাৎ একটি উইন-উইন চুক্তি যেন হয়।’
তৃতীয় টার্মিনাল নিয়ে আলোচনার অগ্রগতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, একটি চুক্তি সম্পন্ন করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে সরকার। ডিসেম্বরে টার্মিনালের সফট ওপেনিং এবং মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে বছরে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ যাত্রী এ টার্মিনাল দিয়ে যাতায়াত করতে পারবেন বলে জানান তিনি।
তবে শুধু টার্মিনাল চালু করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না বলে মনে করেন প্রতিমন্ত্রী। এর জন্য বিমানবন্দর পরিচালনা, যাত্রী স্থানান্তর, পরিবহন ব্যবস্থা এবং অন্যান্য অপারেশনাল সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। তৃতীয় টার্মিনালকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হলে বিমানবন্দরের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকেও একই সঙ্গে আধুনিক করতে হবে।
বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান হুমায়ুন কবির। তার মতে, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। তবে এর পাশাপাশি দেশের নিজস্ব সক্ষমতা ও নেতৃত্বকে শক্তিশালী করাও জরুরি।
এভিয়েশন খাতের প্রবৃদ্ধির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে রুট নেটওয়ার্ক ও ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে কার্গো পরিবহনকে নতুন সম্ভাবনার ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন। ই-কমার্সের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে বিশ্বব্যাপী পণ্য পরিবহনের চাহিদা বাড়ছে। বাংলাদেশও এই বাজারের অংশ হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
এ জন্য শুধু যাত্রী পরিবহনের বিমান কেনার পরিবর্তে কার্গো ও যাত্রী—দুই ধরনের পরিবহন সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে বিমানবহর পরিকল্পনা করার কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, দেশের রপ্তানি, আমদানি, ই-কমার্স এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে বিমান কার্গো ব্যবস্থাকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করা গেলে এভিয়েশন খাতের অর্থনৈতিক অবদান বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব।
স্থানীয় পর্যায়ে বিমান রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল বা এমআরও সুবিধা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে এ ধরনের সেবার জন্য বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমাতে দেশে নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি স্থানীয় বিমান চলাচল প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলে দক্ষ পাইলট, এয়ারলাইনস প্রকৌশলী এবং গ্রাউন্ড স্টাফ তৈরির ওপর জোর দেন তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের পাইলট ও এয়ারলাইনস প্রকৌশলী তৈরির পাশাপাশি গ্রাউন্ড স্টাফদেরও যথাযথ প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর লক্ষ্য হবে এমন একটি বিমান চলাচল খাত তৈরি করা, যা কার্যকর, দেশের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সেবার মানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম।
নীতিগত ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন তিনি। বাংলাদেশ যতটা সম্ভব ‘ওপেন স্কাই’ নীতি অনুসরণ করতে চায় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, আকাশপথ উন্মুক্ত রাখার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিমান সংস্থাকে বাংলাদেশে আসার সুযোগ দেওয়া গেলে ঢাকার বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
তবে জাতীয় নিরাপত্তা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ধরনের সিদ্ধান্তকে তিনি ব্যতিক্রম হিসেবে দেখেন। স্বাভাবিক সময়ে বাংলাদেশের লক্ষ্য থাকবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের জন্য একটি উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা।
এ ক্ষেত্রে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদাহরণ তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে চায়, যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ফ্লাইট বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য গন্তব্যে যাওয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। তার মতে, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের বাজারে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ বাজারের বর্তমান মূল্য প্রায় ৭০ হাজার কোটি টাকা বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে শক্তিশালী আঞ্চলিক রুট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি কম খরচের এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব এবং নতুন গেটওয়ে তৈরির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পূর্ব এশিয়ার চীন, জাপান ও কোরিয়াকেও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে দেখছেন। এসব দেশের সঙ্গে যাত্রী চলাচল, পর্যটন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
হুমায়ুন কবিরের বক্তব্যে স্পষ্ট, সরকারের এভিয়েশন পরিকল্পনা কেবল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ বা জাতীয় বিমান সংস্থার উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে পর্যটন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ই-কমার্স, কার্গো পরিবহন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগের মতো বৃহত্তর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। ফলে এভিয়েশন খাতকে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক অবকাঠামো হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাই সামনে আসছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং দেশের বিভিন্ন খাতে ইতিবাচকভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হবে। এভিয়েশন খাতও সেই অগ্রযাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে বলে মনে করেন তিনি।
একই সঙ্গে ব্যবসার পরিবেশ সহজ করতে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। বিমানমন্ত্রীর বেসরকারি খাতে কাজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গতি আনা সম্ভব। সরকারও ব্যবসার পরিবেশ সহজ করতে বিভিন্ন জটিলতা দূর করার চেষ্টা করবে।
বাংলাদেশের সামনে এখন বড় প্রশ্ন হলো, ভৌগোলিক অবস্থানকে কতটা কার্যকর অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ দেওয়া যায়। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন, জাপান ও কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও মানবিক যোগাযোগ বাড়ছে। এই যোগাযোগের বড় অংশ যদি বাংলাদেশের বিমানবন্দর ও আকাশপথের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করা যায়, তাহলে এভিয়েশন খাত নিজেই একটি বড় অর্থনৈতিক শিল্পে পরিণত হতে পারে।
তৃতীয় টার্মিনাল, আধুনিক বিমানবহর, নতুন রুট, কার্গো পরিবহন, এমআরও সুবিধা, প্রশিক্ষিত জনবল এবং উন্মুক্ত আকাশনীতি—এসব উদ্যোগ সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের চেহারা বদলে যেতে পারে। হুমায়ুন কবিরের বক্তব্যে সেই দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরেরই একটি রূপরেখা উঠে এসেছে। সরকারের লক্ষ্য শুধু বেশি উড়োজাহাজ পরিচালনা বা বেশি যাত্রী পরিবহন নয়; বরং এভিয়েশনকে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।
রাজু আলীম
কবি, সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব
![]()