শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
সঠিক সংবাদের প্রয়াসে
  • হোম
  • বিশ্ব
  • বাংলাদেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউইয়র্ক
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • মতামত
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
সঠিক সংবাদের প্রয়াসে
No Result
View All Result
  • হোম
  • বিশ্ব
  • বাংলাদেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউইয়র্ক
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • মতামত
  • অন্যান্য
প্রচ্ছদ অর্থনীতি

ভারতীয় ঋণের শর্ত থেকে বেরিয়ে রূপপুরের রিভার ক্রসিংয়ে বদল, কমল রুট ও ব্যয়

ইউএসএ বাংলা ডেস্ক - ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
৮ আগস্ট ২০২৬
in অর্থনীতি, জাতীয়, বাণিজ্য, বাংলাদেশ, রাজনীতি
Reading Time: 1 min read
A A
0
ভারতীয় ঋণের শর্ত থেকে বেরিয়ে রূপপুরের রিভার ক্রসিংয়ে বদল, কমল রুট ও ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে নির্মাণাধীন সঞ্চালন অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় বাস্তবায়নের কথা থাকলেও উচ্চ দর, অর্থায়নে ধীরগতি এবং ঋণের বিভিন্ন শর্তের কারণে রিভার ক্রসিং অংশটি এলওসি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পরে বিকল্প অর্থায়নে কাজটি বাস্তবায়নের পাশাপাশি সঞ্চালন লাইনের রুটও পরিবর্তন করা হয়েছে।

এতে যমুনা নদী পারাপারের অংশসহ সঞ্চালন লাইনের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় সাত কিলোমিটার কমে এসেছে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হওয়ায় ঠিকাদার নির্বাচনে প্রতিযোগিতা বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবে সামগ্রিক ব্যয়ও কমিয়ে আনা হয়েছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভির একাধিক সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি। প্রকল্পটির আওতায় ছয়টি ডাবল ও সিঙ্গেল সার্কিট সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এসব অবকাঠামো নির্মাণে প্রাথমিকভাবে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ভারতীয় এলওসি থেকে ৮ হাজার ২১৯ কোটি টাকা পাওয়ার কথা ছিল। বাকি অর্থের জোগান দেওয়ার কথা ছিল সরকার ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের। তবে প্রকল্পের প্যাকেজ-৬-এর আওতায় থাকা রিভার ক্রসিং কাজের দরপত্রে সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দর প্রকল্পে নির্ধারিত ব্যয়ের তুলনায় বেশি হওয়ায় কাজটি ভারতীয় এলওসি থেকে বাদ দেওয়া হয়।

এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রিভার ক্রসিং অংশটি আলাদাভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ অংশের অর্থায়নে ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফান্ড। একই সঙ্গে আগের নকশা ও রুট পর্যালোচনা করে সঞ্চালন লাইনের গতিপথেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভারতীয় এলওসির শর্তের কারণে প্রকল্পের একটি বড় অংশে ভারত থেকে মালামাল কেনার বাধ্যবাধকতা ছিল। রিভার ক্রসিং অংশটি এলওসি থেকে বাদ পড়ায় সেই বাধ্যবাধকতাও থাকছে না। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতিযোগিতামূলক দামে প্রয়োজনীয় মালামাল কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে ক্রয় ব্যয় কমানোর পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে বিকল্প সরবরাহকারী বাছাইয়ের সুযোগও বেড়েছে।

পাওয়ার গ্রিডের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভারতীয় এলওসি থেকে রিভার ক্রসিং অংশটি বাদ পড়া এবং রুট পরিবর্তনের ফলে প্রকল্পের ব্যয় কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্যও প্রায় সাত কিলোমিটার কমেছে। এলওসির অর্থায়নের বাধ্যবাধকতা না থাকায় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, এলওসির আওতায় প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ঋণদাতা দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শর্ত মানতে হয়। বিশেষ করে মালামাল ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট উৎস থেকে কেনার বাধ্যবাধকতা থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দর যাচাইয়ের সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। রিভার ক্রসিং অংশটি এলওসি থেকে বাদ পড়ায় প্রয়োজনীয় মালামাল অন্যান্য দেশ থেকেও সরাসরি আমদানির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে মোট ব্যয় কমিয়ে ৮ হাজার ৬৫১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় ঋণের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। শুরুতে এ প্রকল্পে ভারতীয় এলওসি ছিল ৮ হাজার ২১৯ কোটি টাকা। সংশোধিত প্রস্তাবে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২৩ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ভারতীয় ঋণের পরিমাণ কমেছে প্রায় ২ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রূপপুরের সঞ্চালন লাইন প্রকল্পের কিছু অংশে বাস্তবিক প্রয়োজন বিবেচনায় রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। যমুনা নদীর ওপর দিয়ে যে সঞ্চালন লাইনটি মানিকগঞ্জ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, সেটি এখন টাঙ্গাইলের অংশ দিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। এতে রিভার ক্রসিংয়ের দৈর্ঘ্য আগের তুলনায় প্রায় অর্ধেক কমে যাবে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশি ঋণের ক্ষেত্রে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শর্ত থাকে। প্রকল্পের ক্রয়, বাস্তবায়ন ও চুক্তি ব্যবস্থাপনাতেও এসব শর্তের প্রভাব পড়ে। সংশোধনের ফলে রিভার ক্রসিং অংশে বিকল্প অর্থায়ন ও উন্মুক্ত দরপত্রের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে প্রকল্পের ব্যয় কমানোর একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে।

প্রকল্পের কারিগরি দিক বিবেচনায়ও সংশোধন আনা হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভায় ডাবল সার্কিটের পরিবর্তে কোথাও সিঙ্গেল সার্কিট করা হলে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রুটের দৈর্ঘ্য কমে যাওয়ায় কিছু লাইনে অতিরিক্ত চাপ কমবে এবং অন্যদিকে ডাবল সার্কিটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সঞ্চালন সক্ষমতা বজায় রাখা সম্ভব হবে। ফলে সংশোধনের কারণে প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী রূপপুর-ধামরাই ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৫২ কিলোমিটার। এর একটি বড় অংশ মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয়, ঘিওরসহ কয়েকটি উপজেলা অতিক্রম করে যমুনা নদীর ওপর দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। ওই অংশে প্রায় ১৩ কিলোমিটার রিভার ক্রসিংয়ের পরিকল্পনা ছিল।

পরে রিভার ক্রসিং অংশটি এলওসি থেকে বাদ দেওয়ার পাশাপাশি পুরো রুটটি পুনর্বিবেচনা করা হয়। মানিকগঞ্জের পরিবর্তে টাঙ্গাইলের ওপর দিয়ে যমুনা পার হওয়ার নতুন রুট নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সঞ্চালন লাইনের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় সাত কিলোমিটার কমে এসেছে।

সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব পর্যালোচনা করে আরও দেখা গেছে, রূপপুর-ঢাকা ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্য ১৫৪ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ১৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে। রূপপুর-বগুড়া ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্যও ১০২ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৮৯ কিলোমিটার করা হয়েছে। আমিনবাজার-কালিয়াকৈর ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শুধু রুটের দৈর্ঘ্য কমানো নয়, কোথাও কোথাও ডাবল সার্কিটের পরিবর্তে সিঙ্গেল সার্কিট করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্পের আওতায় ১২টি বে সম্প্রসারণের যে পরিকল্পনা ছিল, সেটিও কমিয়ে সাতটিতে আনা হয়েছে। ফলে প্রকল্পের বিভিন্ন উপাদানে প্রয়োজনীয়তা ও ব্যবহারিক সক্ষমতা বিবেচনা করে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।

তবে প্রকল্পের ব্যয় কমাকে সরাসরি নিট সাশ্রয় হিসেবে দেখার বিষয়ে সতর্ক করেছেন পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রশিদ খান। রূপপুর সঞ্চালন লাইন প্রকল্পের ব্যয় কমার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সঞ্চালন প্রকল্প থেকে ব্যয় কমে গেছে—বিষয়টি ঠিক এমন নয়; কিছুটা সাশ্রয় হয়েছে। তবে ডলারের বিনিময়জনিত ক্ষতির বিষয়টি বিবেচনায় নিলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে সাশ্রয় বলা যায় না।

প্রকল্পের অর্থায়ন কাঠামোতেও এ পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে। ভারতীয় এলওসি কমে যাওয়ার ফলে একদিকে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা কমেছে, অন্যদিকে রিভার ক্রসিং অংশের জন্য বিকল্প অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। ফলে প্রকল্পের সামগ্রিক অর্থায়ন কাঠামো আগের তুলনায় কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে।

রূপপুর সঞ্চালন অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে শুরু থেকেই নানা ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছে। মূল প্রকল্পটি ২০১৮ সালের এপ্রিলে শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু কভিড-১৯ মহামারি, আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ বিভিন্ন কারণে প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়। পরে কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এখনো রিভার ক্রসিংসহ সঞ্চালন অবকাঠামোর কিছু কাজ বাকি রয়েছে। রূপপুর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নির্ভরযোগ্যভাবে সরবরাহ করতে এসব সঞ্চালন লাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে উচ্চক্ষমতার দীর্ঘ সঞ্চালন নেটওয়ার্ক প্রয়োজন।

রূপপুর সঞ্চালন লাইন নির্মাণের বেশির ভাগ কাজ পেয়েছে ভারতীয় বিভিন্ন কোম্পানি। প্রকল্প অনুমোদনের পর অর্থছাড় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় শুরু থেকেই বিলম্ব ছিল। পরে কভিড মহামারির কারণে প্রকল্পের কাজ আরও ধীর হয়ে যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ও মালামাল সংগ্রহেও জটিলতা তৈরি হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সঞ্চালন খাতে কাজ করা ভারতীয় বিভিন্ন কোম্পানির অনেক কর্মী বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান। এর প্রভাবও প্রকল্প বাস্তবায়নে পড়ে। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব কোম্পানির কর্মীদের একটি অংশ আবার কাজে যোগ দেন। তবে এর মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সূচিতে প্রভাব পড়ে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প। এ প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থায়ন করছে রাশিয়া। প্রকল্পটির কারিগরি সহায়তা ও নির্মাণকাজে যুক্ত রয়েছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটম। রূপপুরে দুটি ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকবে।

সম্পর্কিত

ঈশ্বরদী ইপিজেডে এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার

শিক্ষা অবহেলিত হলে দেশের অগ্রগতি থেমে যাবে: রিজভী

এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চক্ষমতার সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে রূপপুরের মূল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি সঞ্চালন অবকাঠামোও প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, রিভার ক্রসিংয়ের রুট পরিবর্তন শুধু ব্যয় কমানোর বিষয় নয়; এর সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়, দরপত্রে প্রতিযোগিতা, সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং বিদেশি ঋণের শর্ত—সবকিছুর সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে এলওসির নির্দিষ্ট শর্ত থেকে বেরিয়ে এসে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহকারী ও ঠিকাদার নির্বাচনের পরিসর বাড়ছে।

তবে সংশোধিত নকশা ও রুটের কারণে ভবিষ্যতে সঞ্চালন সক্ষমতা, নদী পারাপারের নিরাপত্তা এবং গ্রিডের স্থিতিশীলতায় কোনো প্রভাব পড়বে কিনা, তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রূপপুরের মতো বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। ফলে সঞ্চালন অবকাঠামোর সক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।

সব মিলিয়ে রূপপুরের সঞ্চালন অবকাঠামো প্রকল্পে রিভার ক্রসিং অংশটি ভারতীয় এলওসি থেকে বাদ দেওয়া এবং রুট পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন। এতে একদিকে ভারতীয় ঋণের পরিমাণ কমেছে, অন্যদিকে সঞ্চালন লাইনের দৈর্ঘ্য ও কিছু অবকাঠামোগত উপাদান কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্র ও বিকল্প উৎস থেকে মালামাল সংগ্রহের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন প্রকল্পটির পরবর্তী ধাপে এই পরিবর্তনগুলো বাস্তবে কতটা সময় ও অর্থ সাশ্রয় করে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিভার ক্রসিংসহ বাকি কাজ শেষ করা যায় কিনা, সেটিই হয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন।

শেয়ারTweetPin

সম্পর্কিতপোস্ট

উত্তাল ঢাকা, ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
বাংলাদেশ

উত্তাল ঢাকা, ছাত্রলীগ-শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

১৫ জুলাই ২০২৪
ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো যোগ দিবস/২৬
জাতীয়

ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো যোগ দিবস/২৬

২১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ

ঈশ্বরদী ইপিজেডে এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার

ঈশ্বরদী ইপিজেডে এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

শিক্ষা অবহেলিত হলে দেশের অগ্রগতি থেমে যাবে: রিজভী

শিক্ষা অবহেলিত হলে দেশের অগ্রগতি থেমে যাবে: রিজভী

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

এআইয়ের উত্থানে আড়াল হয়ে যাচ্ছে বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকট

এআইয়ের উত্থানে আড়াল হয়ে যাচ্ছে বৈশ্বিক বাণিজ্য সংকট

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়, মূল্যস্ফীতির নতুন চাপ

যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়, মূল্যস্ফীতির নতুন চাপ

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

usa bangla logoo

সঠিক সংবাদ সবার আগে পেতে ইউ এস এ বাংলার সাথেই থাকুন!
ইউ এস এ বাংলা সারা বিশ্বে বাংলার মুখ!

Follow us on social media:

ইউএসএ বাংলা নিউজ
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : জালাল আহমেদ।
সম্পাদক : রাজু আলীম 

  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • লিখতে চাইলে
  • যোগাযোগ

বিভাগ

  • English News
  • অন্যান্য
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • চাকরি
  • জাতীয়
  • নিউইয়র্ক
  • প্রযুক্তি
  • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিনোদন
  • বিশ্ব
  • ভারত
  • মতামত
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • রাজনীতি
  • শিক্ষা
  • সাফল্য
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সুস্বাস্থ্য

সর্বশেষ

ঈশ্বরদী ইপিজেডে এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার

ঈশ্বরদী ইপিজেডে এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে ৩১ দশমিক ০৭ মিলিয়ন ডলার

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষা অবহেলিত হলে দেশের অগ্রগতি থেমে যাবে: রিজভী

শিক্ষা অবহেলিত হলে দেশের অগ্রগতি থেমে যাবে: রিজভী

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • লিখতে চাইলে
  • যোগাযোগ

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • হোম
  • বিশ্ব
  • বাংলাদেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউইয়র্ক
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • মতামত
  • অন্যান্য

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.