পুত্রের কোমল গালে নরম আগাছার মতো দাড়ি গজালে বাবা মা বুঝতেন,” ছেলে আমার বড় হচ্ছে !” মেয়ের ফ্রক এ আকস্মিক রক্তের দাগ – মা বুঝতেন, “এইবার মেয়েকে আরও চোখে চোখে রাখতে হবে, বুকের সামনে কুচি দিয়ে ফ্রক বানাতে হবে! “![]()
বয়োসন্ধির পরিবর্তন দেখে অভিভাবকরা বলতেন, “বড় হচ্ছো!”
আর এখন, বাবা মা বোঝার আগেই পোলাপান সেয়ানা হয়ে যায়! মোবাইল ফোনে ইউ টিউব, গুগল, ফেসবুকের কারনে সময়ের আগেই তাদের “মুই কি হনুরে “ ভাব!![]()
আমরা শিশুকাল থেকে কৈশোরে, কৈশোর থেকে তারুণ্যে, তারুন্য থেকে যৌবনে ধাপে ধাপে পদার্পণ করতাম! এই জেনারেশন একলাফে শৈশব থেকে যৌবনে উন্নীত হয়! যেই পাগলা পংখীরাজ ঘোড়ায় চড়ে তারা এই দূরত্ব চোখের পলকে অতিক্রম করে সেটা হলো স্মার্ট ফোন !
মুঠোফোন আপনি সন্তানের হাতের নাগালের বাইরে রাখলেও পাড়ার বড় ভাই, ইচড়েপাকা সহপাঠী, মামী খালা, বান্ধবীর বড় বোন কারও না কারও মোবাইল সে দেখে !![]()
কে না জানে, নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি লালচ বড্ড বেশি জোড়ালো!
ক’দিন থেকেই বিষয়টা নিয়ে ভাবছি ! হঠাৎ মনে হলো, যদি শিশুদের পাখি পোষা এবং পাখিদের প্রতিপালন ও যত্ন করার প্রতি আগ্রহী করে তোলা যায় – শিশুরা ঘরে সময় দিবে- এই সর্বনাশা মোবাইল নেশা থেকে একটু হলেও দূরে থাকবে!
আমি যদি এই বয়সে হঠাৎ করে পাখির প্রেমে পড়ে যাই তবে শিশুরা কৌতূহলবশত নিশ্চয়ই পাখির প্রতি আকৃষ্ট হবে-
না হলেও আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা করতে হবে!![]()
সন্তানের সুস্থ বিনোদন নিশ্চিত করা ও বিভিন্ন উপায় সন্ধান করা অভিভাবকদের কর্তব্য!
আমরা আর কোন অপ্রতিমকে হারাতে চাই না!!!!
তারা যে আমাদের নাড়ি ছেঁড়া ধন!![]()