কি লাস্যময়ী সুন্দরী!! জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মোজেজা আশরাফ মোনালিসা, এক নামে যাকে সবাই চেনে।
ক্যারিয়ারের প্রাইম টাইমে থাকাকালীন একেবারে চটজলদি বিয়ে আর ঝোঁকের মাথায় মিডিয়া ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে তাড়াহুড়ার ফল বেশিরভাগই ভালো হয়না!
২০১২ সালের ১৪ জুন ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যান মোনালিসা। যাওয়ার মাত্র দুদিন পর ১৭ জুন হুট করেই সেখানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নারায়ণগঞ্জের ছেলে ফাইয়াজ শরীফের সঙ্গে আংটি বদলের কাজটি সেরে ফেলেন! এই বাগদানের মধ্যস্থতা করেন মোনালিসার বড় বোন মুনিরা।
এরপর দেশে ফিরে বিয়ের মহা জমকালো আয়োজন করেন কুর্মিটোলা আর্মি গলফ ক্লাবে। ১২-১২-১২ তেই বিয়ে করেছিলেন তিনি।
বিয়ের কিছুদিন পরই মোনালিসা নিউইয়র্ক চলে যান স্বামীর ঘরে। কাহিনীটা এখানে শেষ হতে পারতো! রাজকন্যা-রাজপুত্র হয়তো চিরকাল হাসিখুশি জীবন কাটাতে পারতো পরস্পরের হাত ধরেই! কিন্তু…….
বিয়ের একবছর পূর্ণ হওয়ার আগেই শোনা যায় তার সংসারের ভাঙ্গনের গুঞ্জন।
মোনালিসা বলেন, ‘একেবারে হুট করেই পারিবারিকভাবে আমাদের বিয়ের সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। তাই একজন আরেকজনকে খুব ভালোভাবে জানার বা বোঝার সময়টা পাইনি। আমি মনে করি, অশান্তি আর অবিশ্বাস নিয়ে সংসার করার চেয়ে না করাটাই ভালো’
প্রকাশিত নানান সংবাদের ভিত্তিতে বলা যায়, মোনালিসার বিয়ের কিছু দিনের মাথায়ই দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি শুরু হয়। ধীরে ধীরে তা খুব মা**রাত্মক আকার ধারণ করতে থাকে। একটা পর্যায়ে অশান্তির মাত্রা সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায়।
এমন পরিস্থিতিতে পারিবারিকভাবে দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হয়।
আমেরিকায় যাওয়ার পরও মোনালিসা প্রায়ই বলতেন, ‘দর্শকের ভালোবাসা নিয়ে আমি আবারও নিয়মিত মডেলিং এবং অভিনয় করতে চাই।’
স্বামী ফাইয়াজ মোনালিসার মিডিয়ায় কাজ করার এই বিষয়টি একেবারেই পছন্দ করতেন না। ফাইয়াজের পরিবারও মোনালিসার মিডিয়ায় কাজ করার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি! এই কারনেই তাদের সুন্দর জুটি ভেঙ্গে যায়।…..
এরপর তিনি আর মিডিয়ায় নিয়মিত হোননি। সিঙ্গেল লাইফ কাটাচ্ছেন আমেরিকায়, আর তা সুন্দরভাবে ইনজয়ও করছেন। বর্তমান বয়স ৪১ বছর।
মোনালিসা স্বামীকে কথা দিয়েছিলেন, মিডিয়ায় কাজ করবেন না। এই সিদ্ধান্তেই বিয়ে। এরপর দুজনের অশান্তি শুরু হলে তিনি আবারও বলেন মিডিয়ায় ফিরবেন।
মোনালিসার উচিত হয়নি নিজের মাইন্ড ভালোভাবে রিড না করেই চটজলদি বিয়ে সেরে নেয়া। তার প্রাক্তন ও প্রাক্তনের পরিবারেরও উচিত হয়নি একজন কর্মজীবী, সাবলম্বী নারীকে ঘরকুনো করে রাখার চাপে ফেলা।
ঘরকুনো মেয়ে চাইলে শুরুতেই অন্য মেয়েকে বিয়ে করতে হতো।
![]()