জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বিষয়ে মন্ত্রিসভায় গৃহীত অভিনন্দন প্রস্তাব গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ-সংক্রান্ত অতিরিক্ত গেজেট জারি করে। এর আগে ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অভিনন্দন প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়।
গেজেটে বলা হয়েছে, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাষণ দেন। মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের এই অংশগ্রহণকে দেশের জন্য ঐতিহাসিক ও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রস্তাবে বলা হয়, এর আগে তারেক রহমানের বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ২৬ আগস্ট জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য দেন। তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালের ১ অক্টোবর সাধারণ পরিষদের ৪৮তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন। একই পরিবারের তিন সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নিজ দেশের প্রতিনিধিত্বের ঘটনাকে বিশ্ব ইতিহাসে অনন্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী ৩২টি আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ও সভায় অংশ নেন। এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি সাতটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেন। এছাড়া ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং জাতিসংঘসহ ১০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
মন্ত্রিসভার অভিনন্দন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা বিশ্বপরিসরে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণেও এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
মন্ত্রিসভার ২৮ সেপ্টেম্বরের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত গেজেটে মন্ত্রিসভায় গৃহীত এ অভিনন্দন প্রস্তাব সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।![]()