রাজীব আহমেদ
প্রেম কিংবা বিরহের গান লেখার পাশাপাশি সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে গান লিখার অভ্যাস ছিল আমার। এব্যাপারে সব সময়ই আসিফ ভাইয়ের সহযোগিতা পেয়েছি। ২০০৯ সালে পিলখানা ট্রাজেডি ঘটে। তখন আমরা একসাথেই আড্ডা মারি।
বিষয়টি সবার মনেই রেখাপাত করে। সিদ্ধান্ত হয়, একটা গান বাঁধার। আমি লিখবো আসিফ ভাই গাইবেন এই পর্যন্তই স্থির থাকে। যেদিন দাফন সম্পন্ন হয়, সেদিন গানের মূল কনসেপ্ট আমার মাথায় আসে। প্রয়োজন পড়ে শিশু শিল্পী ও আবৃত্তি শিল্পীর। তখন আমি চ্যানেল আইয়ের কালচারাল রিপোর্টার। ক্ষুদে গানরাজ কাভার করার সুবাদে পড়শির মায়ের সাথে আমার পরিচয় ছিল। সেখান থেকেই পড়শীকে কে পিক করা হয়। শিশু শিল্পী হিসেবে পড়শীকে আমার পছন্দ হয়েছিলো।
ওর জীবনে প্রথম পেশাদার কাজ তাও আবার আসিফ আকবরের সাথে। আনন্দে মা মেয়ে পাগল প্রায়। সুযোগটা অবশ্য আমিই করে দেই। যদিও তার বেশ ক বছর পর পড়শির মা আমাকে ফোন দিয়ে একদিন বলেন, আমার ফোনে রাজিব নামটা সেভ করা, কিন্তু ঠিক চিনতে পারছি না। আপনি কে বলবেন কি? আমি বললাম, আমিও ঠিক চিনতে পারছি না।
যাক সে ভিন্ন প্রসঙ্গ। গানটা সুর করেন পল্লব সান্যাল। আবৃতি করেন প্রখ্যাত আবৃত্তি শিল্পী মাহিদুল ইসলাম। গানটা এত বছর পর নতুন রূপে আসছে, নতুন শিশু শিল্পীর সাথে। আবৃত্তি অংশটুকু আমারই পাঠ করা।
মিউজিক করেছেন রাজীব হোসাইন। আসিফ ভাই youtube চ্যানেল থেকে গানটা আজকে নতুন করে রিলিজ হচ্ছে। অনেকটা নতুন বোতলে পুরনো মদের মত। গানটির সাথে সম্পৃক্ত আগের এবং পরের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।![]()