আমাদের অঙ্গীকার: ঐতিহ্য রক্ষা, মর্যাদা পুনরুদ্ধার, ভবিষ্যৎ নির্মাণ
প্রিয় সহকর্মী, সম্মানিত সদস্যবৃন্দ,
বাচসাস শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি ৫৬ বছরের ইতিহাস, মর্যাদা ও ঐতিহ্যের নাম। আজ এই ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে আমরা এমন এক জায়গায় নিয়ে যেতে চাই যেখানে প্রতিটি সদস্য গর্ব করে বলতে পারবে – আমি বাচসাসের সদস্য।![]()
আমরা ক্ষমতার জন্য নয়, দায়িত্ব নেওয়ার জন্য এসেছি।
![]()
কেন আমাদেরকে ভোট দেবেন?
১. সদস্য কল্যাণই প্রথম অগ্রাধিকার:
– বাচসাস কল্যাণ তহবিল গঠন: অসুস্থ, দুস্থ ও বিপদগ্রস্ত সদস্যদের জন্য তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা (সর্বনিম্ন ৫০,০০০ টাকা)
– প্রতি বছর সকল সদস্যের জন্য স্বাস্থ্য বীমা ও বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা
– সদস্যদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালু![]()
২. পেশাগত মর্যাদা ও সুরক্ষা:
– চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের জন্য জাতীয় প্রেসক্লাব ও এফডিসিতে স্থায়ী অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নিশ্চিতকরণ
– কোনো সদস্য পেশাগত কারণে হেনস্তার শিকার হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংগঠন তার পাশে দাঁড়াবে – আইনি সহায়তাসহ
– ভুয়া ও অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, প্রকৃত চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়ন ও মর্যাদা রক্ষা
৩. বাচসাসকে শক্তিশালী ও আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর:
– ডিজিটাল বাচসাস: ৩ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট, ডিজিটাল আর্কাইভ (১৯৬৮ থেকে আজ পর্যন্ত সব বাচসাস পুরস্কার
![]()
ও ইতিহাস), অনলাইন সদস্য ডাটাবেজ
– স্থায়ী কার্যালয়: জাতীয় প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় নিজস্ব সজ্জিত কার্যালয় ও মিনি কনফারেন্স রুম স্থাপন
– স্বচ্ছতা: প্রতি ৩ মাসে আয়-ব্যয়ের হিসাব সদস্যদের কাছে উন্মুক্ত, বার্ষিক অডিট রিপোর্ট প্রকাশ![]()
৪. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন:
– প্রতি ২ মাসে চলচ্চিত্র সাংবাদিকতা, ফ্যাক্ট-চেকিং, ডিজিটাল কন্টেন্ট, মোবাইল জার্নালিজম বিষয়ে কর্মশালা
– তরুণ সদস্যদের জন্য সিনিয়রদের নিয়ে মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম
– দেশের বাইরে চলচ্চিত্র উৎসব কাভার করতে আগ্রহী সদস্যদের জন্য সহযোগিতা![]()
৫. বাচসাস পুরস্কারকে আবার জাতীয় মর্যাদায় ফেরানো:
– বাচসাস পুরস্কারকে আবার দেশের সবচেয়ে নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে পরিণত করা
– জুরি বোর্ডে দেশবরেণ্য চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, সৎ ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি
– পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সরাসরি টিভি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার![]()
৬. ঐক্য ও মর্যাদা:
– আমরা কোনো গ্রুপিংয়ে বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের পর কোনো প্রতিহিংসা নয় – সকলকে নিয়ে এক টেবিলে বসে বাচসাস পরিচালনা
– সিনিয়রদের সম্মান, জুনিয়রদের স্নেহ – এই হবে আমাদের সংস্কৃতি
> আমাদের প্রতিশ্রুতি কোনো ফাঁকা বুলি নয়। আমরা যা বলি, তা করি। আবদুর রহমান ভাইয়ের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, রাহাত সাইফুল ভাইয়ের তারুণ্য ও লিটন রহমান ভাইয়ের সমন্বয় – এই তিনের সমন্বয়ে বাচসাস হবে আবার শক্তিশালী, সুউচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন সংগঠন।![]()
আপনার মূল্যবান ভোটে বাচসাস পাবে তার হারানো গৌরব।
ভোট দিন আবদুর রহমান – রাহাত সাইফুল পরিষদে।
*২০ নভেম্বর,
জাতীয় প্রেসক্লাব
![]()