এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বহাল রাখার দাবি জামায়াতের
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বহাল রাখা, মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থেই এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এর আগে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয় জামায়াতের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন আইন, বিধি ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন যাতে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে লক্ষ্যেই তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছেন।
বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্ব পায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক সুপারিশে বলা হয়েছে, সরকারি বেতনের একটি অংশ পাওয়া এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জামায়াত বলেছে, জাতীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। সংবিধানেও তাদের রাজনীতি বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনো বাধা আরোপ করা হয়নি। ফলে শুধু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের অযোগ্য ঘোষণা করা বৈষম্যমূলক হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দীর্ঘ ইতিহাসে স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছেন। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন এমন সুপারিশ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অনেক যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাবেন।
জামায়াত আরও দাবি জানিয়েছে, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। দলটির মতে, সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে তারা নির্বাচনে অংশ নিলে সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হতে পারে এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
দলটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো, যেহেতু এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, তাই কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য যেন কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা, সভা কিংবা গণসংযোগে অংশ নিতে না পারেন। এ বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে জামায়াত।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে শামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দলটি। মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি, শামসুল আলম অতীতে বিএনপির একটি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের কোনো ব্যক্তির নিয়োগ কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। তাই তার নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া বর্তমানে রাজনীতি বা কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী ব্যক্তিরা যেন কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি অংশীজনদের মতামত গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও অংশগ্রহণমূলক, প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রহণযোগ্য হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ বহাল রাখা, মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থেই এসব বিষয় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এর আগে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয় জামায়াতের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন আইন, বিধি ও প্রশাসনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন যাতে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য হয়, সে লক্ষ্যেই তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছেন।
বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্ব পায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়টি। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক সুপারিশে বলা হয়েছে, সরকারি বেতনের একটি অংশ পাওয়া এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে জামায়াত বলেছে, জাতীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। সংবিধানেও তাদের রাজনীতি বা নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনো বাধা আরোপ করা হয়নি। ফলে শুধু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের অযোগ্য ঘোষণা করা বৈষম্যমূলক হবে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দীর্ঘ ইতিহাসে স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিয়মিতভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে আসছেন। সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন এমন সুপারিশ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অনেক যোগ্য ও জনপ্রিয় ব্যক্তি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাবেন।
জামায়াত আরও দাবি জানিয়েছে, সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করতে হবে। দলটির মতে, সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে তারা নির্বাচনে অংশ নিলে সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হতে পারে এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।
দলটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হলো, যেহেতু এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, তাই কোনো মন্ত্রী বা সংসদ সদস্য যেন কোনো প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা, সভা কিংবা গণসংযোগে অংশ নিতে না পারেন। এ বিষয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে জামায়াত।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে শামসুল আলমের নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে দলটি। মিয়া গোলাম পরওয়ারের দাবি, শামসুল আলম অতীতে বিএনপির একটি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের কোনো ব্যক্তির নিয়োগ কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। তাই তার নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া বর্তমানে রাজনীতি বা কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো রাজনৈতিক দলের পদধারী ব্যক্তিরা যেন কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপের দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, নির্বাচন কমিশন যদি অংশীজনদের মতামত গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাহলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরও অংশগ্রহণমূলক, প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রহণযোগ্য হবে।