কেরামাতুল্লাহ বিপ্লব আমাদের একসাথে সাংবাদিকতা সেই বাংলাবাজার পত্রিকা থেকে। ২৯ বছর আগে । একসময় ঢাকার সাংবাদিক মহলে আমাদের জুটি ছিল বেশ পরিচিত। ফরিদই জোড় করে নিয়েছিলো চ্যানেল ওয়ানে । তারপর তো বহু কথা, বহু পথ । সেই সময়ের টেলিভিশন সাংবাদিকদের মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে স্টাইলিশ সুদর্শনদের একজন আমাদের এই ফরিদ আলম । এখন সে নিউইয়র্কে। সেই স্টাইলেই এখানকার মহলে তাঁর দখল । দেখা হতেই জড়িয়ে ধরা , আবেগে কথা । লাইনে না দাঁড়াতে দিয়ে নিজহাতে প্লেটে ডালভাত খাওয়ানো । আহ্হা , মনে হয় সেই ঢাকাতেই আছি , সেই সময়েই । সময় ফিরে গেলো দুইযুগ আগে.. ফিরে গেলাম পুরোনো দিনের অসংখ্য স্মৃতিতে। আমাদের এই সম্পর্কের নাম, ভাই, বন্ধু, সহকর্মী, নাকি আপনজন-যতভাবেই সম্বোধন করি, কোনো একটি শব্দেও এর মানে নেই যা জানি তা একটাই – আমি ও ফরিদ “আমরা” একজন থেকে আরেকজন হয়তো অনেক দূরে থাকি। দুই-চার বছর পর দেখা হয়। কিন্তু আমাদের ভেতরের সেই টানে কখনো ঘাটতি পড়ে না। দেখা হলেই মনে হয়—সময় বুঝি কোথাও থমকে আছে; আমরা এখনো ঠিক আগের মতোই আছি এবং থাকবো । আজ আড্ডাটা ছিলো – জ্যাকসন হাইটসের “আড্ডা রেস্তোরাঁয়” মাথার উপর আগের মতোই সেটে আছে প্রিয় মাহাথির ফারুকী আড়াল থেকে বিখ্যাত এই ছবিটি তুলেছে আরেক প্রিয় ভাই- যমুনা টেলিভিশনের আব্দুল্লাহ তুহিন।
![]()