নিজস্ব প্রতিবেদক
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান দি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তাসনিম সিনহা। ১০ আগস্ট থেকে তার নিয়োগ কার্যকর হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) একমি ল্যাবরেটরিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ টাকা ৪০ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৮ টাকা ২৮ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ১২ পয়সা।
৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ২৭ পয়সায়।
এর আগে ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে একমি ল্যাবরেটরিজের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। ওই হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ১১ টাকা ৪৮ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ১১ টাকা ৬১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২৬ টাকা ৩৭ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরেও কোম্পানিটি ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। ওই বছর একমি ল্যাবরেটরিজের ইপিএস ছিল ১১ টাকা ৬১ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১০ টাকা ৮৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১১৮ টাকা ৩৯ পয়সায়।
এদিকে ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটির পর্ষদ। ওই বছর ইপিএস ছিল ১০ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯ টাকা ৯৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১১০ টাকা ৯ পয়সায়।
একমি ল্যাবরেটরিজের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্য পর্যালোচনা করে এ প্রত্যয়ন দিয়েছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় একমি ল্যাবরেটরিজ। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ২১১ কোটি ৬০ লাখ ২০ হাজার টাকা। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, কোম্পানিটির রিজার্ভের পরিমাণ ১ হাজার ৯৪৯ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।
কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২১ কোটি ১৬ লাখ ১ হাজার ৭০০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪০ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩০ দশমিক ৫০ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ২৯ দশমিক ০৯ শতাংশ শেয়ার।![]()