সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগপত্র না পাওয়া মিশন আচার্যের নিয়োগের জট খুলেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁর নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। এর আগে সকালে মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটি ডিও লেটার দেন তিনি।
সাক্ষাৎ শেষে রাশেদ খাঁন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দুই দিনের সফর শেষে মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করেছেন বলেও জানান রাশেদ খাঁন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫’-এ চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চাকরিপ্রার্থী মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী বসতভিটা না থাকার কারণে তাঁর নিয়োগপত্র আটকে যায়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তা নজরে আসে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের।
রাশেদ খাঁনের দেওয়া ডিও লেটারে বলা হয়, মিশন আচার্য ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় জন্মলগ্ন থেকে বসবাস করছেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।
রোববার মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাতের সময় শিক্ষামন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে কথা বলেন এবং মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। ফলে শিগগিরই তিনি নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
![]()