‘উই উইল হ্যাভ সে’ক্স, উই’ল হ্যাভ এভরিথিং! তোমার যদি মেনে নিতে প্রবলেম হয়, ‘টেল আলভী টু লিভ মি’ ইকরা![]()
নেপালে তিথির জন্মদিনে কেক কাটার ২ ঘন্টা আগে আলভী ও তিথি যখন একসাথে, তখন #ইকরা তিথিকে মেসেজ দেন-
‘একটা সংসার ভে’ঙে আসছো, আইসা আরেকটা সংসার ত’ছন’ছ করলা। দিন শেষে ঘুমাও কেমনে? দুনিয়াতে আর ছেলে ছিল না। ওকে ফাইন ছিল না। আমার জামাইকেই পাইছো। আমি তোমাদেরকে মেনেও নিলাম। তারপর তোমার হইলো অবসেশন সে আমার সাথে কী করে না করে!
কেনো? তোমার সাথে সে কী করে না করে, আমি ওর কাছে জানতে চাই নাই। তাহলে তুমি তার লিগ্যাল বউয়ের সাথে সম্পর্ক মেনে নিবে না কেন?
নিজে যেটা ফেস করছো আরেকটা মেয়ের লাইফে সেটা চাও কেন? সাহস থাকলে বলো আলভিকে যে, আমাকে ডিভোর্স দিতে।’
ইকরা তিথিকে আরও বলেন, “গেট দ্যা হেল আউট অফ মাই হাজব্যান্ড’স রুম এন্ড লাইফ…পারলে একদম আইসোলেটেড ভাবে নিজের করে নিতে পারলে নাও। নাইলে বের হয়ে যাও। তোমাকে ভালোবাসার কথা বলে টিস্যু পেপারের মতো লাগাবে এন্ড টাইম শেষ হলে ফেলে দিবে। প্রমাণ আমার কাছে অনেক আছে। তোমার বাইরে সে কি কি করে। বাট আমি দিবো না। তুমি এতো ভালো কিছুও ডিজার্ভ করো না। আর হ্যাঁ আমার সাথে তার রিলেশন একদম নরমাল থাকবে। উই উইল হ্যাভ সে’ক্স, উই উইল হ্যাভ এভরিথিং। তোমার যদি মেনে নিতে প্রবলেম হয়, ‘টেল আলভি টু লিভ মি’।’
![]()
‘আলভিকে বলতেছো না কেন আমাকে ছাড়তে? এতো প্রবলেম আমার সাথে সে’ক্স করলো কিনা, এতো টেনশন। ওরে দিয়ে ডিভোর্সটা দেওয়াও যদি পারো। এভাবে একটা ম্যারিড হাজব্যান্ডের মিস্ট্রেস (রক্ষিতা) হয়ে থাকার চেয়ে বেটার না ওর ডিভোর্স করানো?’
আরেকটি টেক্সটে ইকরা তিথিকে আরো লেখেন, ‘আরেকজনের লিগ্যাল হাজব্যান্ডকে যতই নিজের বুকে ই নিয়ে টাইট হাগ দাও- খাওয়াও, দিন শেষে তোমার সাথে তার রিলেশন আল্লাহর কাছে অবৈধ। তুমি হচ্ছে টেকনিক্যালি আদার ওম্যান, রিলেশনশিপ যতই ওপেন থাকুক, তোমার রাইট নাই একটা হাজব্যান্ড এন্ড ওয়াইফের সে’ক্সুয়াল রিলেশনশিপ নিয়ে কোশ্চেন করার। আমার হাজব্যান্ড এখনো সংসার করতে চাইছে।’![]()