মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস
রাজু আলীম
দেশের আকাশপথের বাজারে দ্রুত সম্প্রসারণের পথে এগোচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। ২০১৪ সালে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রা শুরু করা বেসরকারি

এয়ারলাইনটি এখন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক বিস্তারের পাশাপাশি ঢাকাকে একটি কার্যকর কানেকটিং হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম ও সিলেটকেও আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৭ সালের মধ্যে ৩০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে এবং ২০টি দেশে ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ইউএস-বাংলা। একই সঙ্গে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে প্রবেশের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভবিষ্যৎ রুট নেটওয়ার্ককে কয়েকটি স্তরে সাজানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে প্রথম স্তরে, মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব এশিয়াকে দ্বিতীয় স্তরে এবং ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দূরপাল্লার গন্তব্যকে তৃতীয় স্তরে রেখে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হবে। অর্থাৎ ঢাকা থেকে আঞ্চলিক সংযোগ, সেখান থেকে আন্তর্জাতিক হাব এবং পরে দূরপাল্লার গন্তব্য—এ ধরনের একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক কাঠামো তৈরি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।
এ পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে বহর সম্প্রসারণ। চলতি বছরের ২৯ জুলাই ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে ইউএস-বাংলা। এর মধ্যে ১৫টি বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এনজি রয়েছে। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ এসব উড়োজাহাজের সরবরাহ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ বহর সম্প্রসারণে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় দেড় বিলিয়ন ডলার।
আবদুল্লাহ আল মামুনের ভাষায়, ২১টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার বিষয়টি শুধু বহরের আকার বাড়ানোর পরিকল্পনা নয়; বরং এটি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ভিত্তি। নতুন উড়োজাহাজ দিয়ে নতুন গন্তব্য চালু করা, বিদ্যমান রুটে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানো এবং পুরনো উড়োজাহাজের পরিবর্তে তুলনামূলক দক্ষ বিমান ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। ফলে বহর সম্প্রসারণকে নতুন রুট ও বাজার তৈরির একটি প্লাটফর্ম হিসেবেই দেখছে ইউএস-বাংলা।
দক্ষিণ এশিয়াকে এ পরিকল্পনার স্বাভাবিক সম্প্রসারণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। ভৌগোলিক নৈকট্যের পাশাপাশি চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা, পর্যটন ও পারিবারিক যোগাযোগের কারণে ভারতের বিভিন্ন শহর, নেপাল, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার। বর্তমানে কলকাতা, চেন্নাই ও মালদ্বীপে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় বেঙ্গালুরু, দিল্লি, কাঠমান্ডু ও কলম্বোকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
এর মধ্যে বেঙ্গালুরুকে বিশেষ সম্ভাবনাময় বাজার হিসেবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি। ভারতের প্রযুক্তি ও ব্যবসার অন্যতম কেন্দ্র হওয়ায় এ রুট ব্যবসায়িক ও পেশাজীবী যাত্রীর পাশাপাশি প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। একইভাবে কলম্বোকে শুধু শ্রীলংকার যাত্রীবাজার নয়, বৃহত্তর পর্যটন ও আঞ্চলিক সংযোগের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্য ইউএস-বাংলার আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের অন্যতম বড় ভিত্তি। বর্তমানে দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, দোহা, মাসকাট, রিয়াদ ও জেদ্দার মতো গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তী ধাপে দাম্মাম, মদিনা, সালালা, কুয়েত, বাহরাইন ও ব্রুনাই যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব রুট চালু হলে মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের প্রবাসী শ্রমজীবী, ব্যবসায়ী, পর্যটক ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য যোগাযোগের পরিধি বাড়বে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়ও নতুন সম্ভাবনা দেখছে ইউএস-বাংলা। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার, পর্যটন গন্তব্য এবং ব্যবসায়িক অংশীদার। কুয়ালালামপুরের সঙ্গে বিদ্যমান যোগাযোগের পাশাপাশি পেনাং ও জহুরবাহরুতে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। একই দেশের একাধিক শহরে সরাসরি যোগাযোগ থাকলে যাত্রীদের বিকল্প যেমন বাড়বে, তেমনি বাজারকে আলাদা আলাদা যাত্রীসেগমেন্ট হিসেবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
পূর্ব এশিয়াকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে ইউএস-বাংলা। বেইজিং ও হংকংয়ের মতো গন্তব্যের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন আর কেবল পর্যটননির্ভর নয়। তৈরি পোশাক, শিল্প, প্রযুক্তি, বিনিয়োগ, আমদানি-রফতানি, শিক্ষা ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার বাজার গভীরভাবে যুক্ত। ফলে এ অঞ্চলে সরাসরি আকাশ যোগাযোগ বাড়লে ব্যবসা ও বাণিজ্যের পাশাপাশি যাত্রী পরিবহনেও নতুন বাজার তৈরি হতে পারে।
ইউরোপে প্রবেশের পরিকল্পনাও ইউএস-বাংলার নেটওয়ার্ক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় লন্ডন ও রোমে ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য রয়েছে। বিশেষ করে লন্ডন বাংলাদেশের জন্য বড় একটি যাত্রীবাজার। সরাসরি ফ্লাইট চালু করা গেলে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য নতুন বিকল্প তৈরি হবে। পাশাপাশি ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশী একটি এয়ারলাইন হিসেবে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় নিউইয়র্ক, টরন্টো ও সিডনির মতো দূরপাল্লার গন্তব্যও রয়েছে। ২০৩০ সালের দিকে এসব গন্তব্যে প্রবেশের সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে ইউএস-বাংলা। তবে দূরপাল্লার রুট পরিচালনা করতে প্রয়োজন হবে পর্যাপ্ত উড়োজাহাজ, দক্ষ জনবল, রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক স্লট এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা। ফলে এসব গন্তব্যে প্রবেশকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিষয় হিসেবেই দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে পুরো সম্প্রসারণ পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য শুধু নতুন নতুন গন্তব্য যুক্ত করা নয়। ইউএস-বাংলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো ঢাকাকে একটি কার্যকর কানেকটিং হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকার অনেক যাত্রী দুবাই, দোহা, ইস্তানবুল, কুয়ালালামপুরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হাব ব্যবহার করেন। ইউএস-বাংলা চায়, ভবিষ্যতে এ ধরনের যাত্রীর একটি অংশ ঢাকা হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাক।
এ লক্ষ্য সফল হলে ঢাকার বিমানবন্দর কেবল বাংলাদেশের যাত্রী ওঠানামার কেন্দ্র হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এজন্য প্রয়োজন হবে সমন্বিত সময়সূচি, দ্রুত ট্রানজিট সুবিধা, নির্ভরযোগ্য ফ্লাইট পরিচালনা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন।
ইউএস-বাংলা গ্রুপের অধীনে দ্বিতীয় একটি এয়ারলাইন চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। একটি পূর্ণাঙ্গ সেবাভিত্তিক এয়ারলাইন এবং অন্যটি কম খরচের মডেলে পরিচালনার মাধ্যমে ভিন্ন ধরনের যাত্রী ও রুটের চাহিদা পূরণ করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। এ ব্যবস্থায় রুট, উড়োজাহাজ ও সময়সূচিকে আলাদা যাত্রীসেগমেন্ট অনুযায়ী সাজানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।
প্যাসেঞ্জার পরিবহনের পাশাপাশি এয়ার কার্গোকেও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে ইউএস-বাংলা। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনে এয়ার কার্গোর সম্ভাবনা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। প্যাসেঞ্জার ফ্লাইটে বেলি কার্গো পরিবহনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে কার্গো নেটওয়ার্ককে আলাদাভাবে পরিকল্পনা করার সুযোগ রয়েছে। রপ্তানি পণ্য, বিশেষ করে উচ্চমূল্যের ও সময়সংবেদনশীল পণ্য পরিবহনে এর মাধ্যমে নতুন আয়ের উৎস তৈরি হতে পারে।
বহর ও রুট সম্প্রসারণের পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, ক্যাটারিং ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তাও রয়েছে। কারণ একটি আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন পরিচালনার জন্য শুধু উড়োজাহাজ সংগ্রহ যথেষ্ট নয়; এর সঙ্গে দক্ষ পাইলট, প্রকৌশলী, কেবিন ক্রু, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কর্মী ও ব্যবস্থাপনা জনবল তৈরি করতে হয়।
বড় বহর যুক্ত করার সঙ্গে ঝুঁকিও কম নয়। আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ২১টি উড়োজাহাজ দ্রুত যুক্ত হলেও পর্যাপ্ত যাত্রী এবং লাভজনক রুট নিশ্চিত করা না গেলে যাত্রীসংখ্যা কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিমান, লিজ, রক্ষণাবেক্ষণ ও বীমাসহ এয়ারলাইন পরিচালনার বড় একটি অংশের ব্যয় বৈদেশিক মুদ্রানির্ভর। জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারদর পরিবর্তনের প্রভাবও সরাসরি পড়ে এয়ারলাইনসের আয়-ব্যয়ে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতাও তীব্র। এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, টার্কিশ এয়ারলাইনস, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস, সাউদিয়া, মালয়েশিয়া এয়ারলাইনস ও ইন্ডিগোর মতো প্রতিষ্ঠিত ক্যারিয়ারের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাজার তৈরি করতে হবে। এর পাশাপাশি ঢাকার বিমানবন্দরের সক্ষমতা, স্লট ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাও বড় বহর পরিচালনার ক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখতে হবে।
তারপরও ইউএস-বাংলার সামনে যে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা দেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন খাতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। ২১টি নতুন বোয়িং, ২০২৭ সালের মধ্যে ৩০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্য ও ২০টি দেশে পৌঁছানোর লক্ষ্য এবং পরবর্তী সময়ে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় প্রবেশের পরিকল্পনা—সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কৌশল এখন শুধু কয়েকটি নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একটি বিস্তৃত আন্তর্জাতিক এভিয়েশন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
আবদুল্লাহ আল মামুনের মতে, সবচেয়ে বড় সাফল্য হবে তখনই, যখন একজন যাত্রী ঢাকাকে শুধু নিজের যাত্রার শুরু হিসেবে নয়, কানেকটিং পয়েন্ট হিসেবেও বেছে নেবেন। সে লক্ষ্য অর্জন করা গেলে ইউএস-বাংলা কেবল একটি দেশীয় বেসরকারি এয়ারলাইন হিসেবে নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব এশিয়া এবং পর্যায়ক্রমে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে বাংলাদেশের একটি আকাশপথের সেতু হিসেবে অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
জাতীয় অর্থনীতির দৃষ্টিতেও এর গুরুত্ব রয়েছে। বিদেশী এয়ারলাইনগুলোর মাধ্যমে যে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী যাত্রী বিদেশে যাতায়াত করেন, তার একটি অংশ দেশীয় এয়ারলাইন ধরে রাখতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগে বাংলাদেশের নিজস্ব বিমান পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে। সে অর্থে ইউএস-বাংলার বহর ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ শুধু একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নয়; সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি দেশের আকাশপথের বাজারকেও নতুন পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।
রাজু আলীম
কবি, সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব![]()