রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নির্মিত হতে যাওয়া এক হাজার শয্যার ‘বসুন্ধরা মেডিকেল সিটি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল’ প্রকল্পে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রকল্পটির শেয়ার বিক্রি ও বুকিং মেলা শুরু হয়েছে বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে (আইসিসিবি)।
প্রকল্পটিতে মোট দুই হাজার শেয়ার থাকবে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান মেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আধুনিক অবকাঠামো ও বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বসুন্ধরা মেডিকেল সিটি অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতাল গড়ে তোলা হচ্ছে।
এস রহমান প্রপার্টিজের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান বলেন, এই হাসপাতাল স্থানীয় মানুষের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নেও ভূমিকা রাখবে। বিনিয়োগকারীদের জন্যও দীর্ঘমেয়াদে প্রকল্পটি মূল্য ও সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
উদ্যোক্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এক হাজার শয্যার এই হাসপাতাল চালু হলে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও আশপাশের মানুষের জন্য উন্নত ও সমন্বিত চিকিৎসাসেবার সুযোগ বাড়বে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা রোগীদের আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে প্রকল্পটির।
প্রকল্পটির শেয়ার বিক্রি ও বুকিং মেলা ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থী ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য খোলা থাকছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ছাড় ও সহজ কিস্তির পাশাপাশি চিকিৎসাসেবায় ছাড় এবং কার পার্কিংয়ের মালিকানার মতো সুবিধাও রাখা হয়েছে।
শুধু হাসপাতালের শেয়ার নয়, প্রকল্পের মেডিকেল শপ ও চিকিৎসকদের চেম্বারেও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন এস রহমান প্রপার্টিজের চেয়ারম্যান এস এম শাহিদুর রহমান।
উদ্যোক্তারা বলছেন, স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা বাড়ার সঙ্গে দেশে আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামোর প্রয়োজনও বাড়ছে। বসুন্ধরা মেডিকেল সিটি সেই চাহিদা পূরণে বড় একটি বেসরকারি স্বাস্থ্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করবে। আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা, সমন্বিত সেবা ও উন্নত অবকাঠামোর মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য খাতে নতুন সক্ষমতা যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়নে এস রহমান প্রপার্টিজের পাশে থাকবে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, হাসপাতালটি চালু হলে বসুন্ধরা এলাকার পাশাপাশি ঢাকার অন্যান্য অঞ্চল এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ উন্নত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতেও এ ধরনের বড় প্রকল্প ভূমিকা রাখতে পারে।![]()