মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রভাবে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে কাতার সরকারের রাজস্ব ৪২ শতাংশ কমেছে। দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছেন। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় রাজস্বে এ পতন হয়েছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলএনজি সরবরাহকারী কাতারের রফতানি কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকা এবং রাস লাফান শিল্প কমপ্লেক্সে হামলার ঘটনায়। দেশটির জ্বালানি রফতানি ব্যাহত হওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে সরকারি আয়ে।
তবে বৈদেশিক রিজার্ভ শক্তিশালী রাখা, সরকারি ঋণ কমানো এবং বাজেট প্রণয়নে জ্বালানি তেলের দাম রক্ষণশীলভাবে নির্ধারণের কারণে অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দিতে পেরেছে কাতার। সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপগুলো রাজস্ব কমে যাওয়ার পরও দেশটির অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে।![]()