বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকান, মার্কেট ও শপিং মল বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রভাবে দেশের খুচরা ব্যবসায় বিক্রি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, পোশাক, জুতা, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের বিক্রি সাধারণত সন্ধ্যার পর বাড়ে। কিন্তু রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ করতে হওয়ায় ক্রেতাদের বড় একটি অংশ কেনাকাটার সুযোগ পাচ্ছেন না। এর সঙ্গে দীর্ঘদিনের মূল্যস্ফীতি মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও কমিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্যের বিক্রি গত এক মাসে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। একটি আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের হিসাবে গত এক মাসে তাদের আয় প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। আরেকটি ইলেকট্রনিকস বিক্রয়কেন্দ্রে বিক্রি কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার ৩৪৮ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৫ হাজার ৪৩৫ মেগাওয়াট। অর্থাৎ ওই সময়ে ঘাটতি ছিল ১ হাজার ৯১৩ মেগাওয়াট।![]()