কৌশলগত কারণে দীর্ঘদিনের কিছু আন্তর্জাতিক পোশাক ক্রেতা ও ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে তাদের কিছু ক্রয়াদেশ অন্য দেশে সরিয়ে নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রেতারা তাদের ব্যবসায়িক কৌশল অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহ করে। একই উৎস থেকে সব ধরনের পণ্য না কেনার প্রবণতা তাদের মধ্যে রয়েছে। এ কারণে নতুন ক্রেতা আকর্ষণের পাশাপাশি বিদ্যমান ক্রেতাদের কাছ থেকে ক্রয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর জাপান ডেস্ক চালুর কথা জানানো হয়েছে। জাপানের প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের পোশাক আমদানি বাজারে বাংলাদেশের অংশ বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে এ উদ্যোগের।
এ ছাড়া আগামী ২৮ অক্টোবর হংকংয়ে বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও ব্র্যান্ডকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত করাই এর অন্যতম লক্ষ্য।
বিজিএমইএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন কারণে ৩০টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে এবং এতে প্রায় ১৪ হাজার কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। একই সময়ে ৫৩টি নতুন কারখানা সংগঠনটির সদস্য হয়েছে, যেখানে প্রায় ২৪ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।![]()