সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান ‘এএ’ এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণমান ‘এসটি-২’ নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার সময় পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক আর্থিক ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে এ রেটিং দিয়েছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
এদিকে চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে। জানুয়ারি-জুন সময়ে সমন্বিত ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয় ৬৪ শতাংশ বেড়েছে।
৩০ জুন ২০২৬ শেষে সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ১৬ পয়সায়। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে এ সম্পদমূল্য ছিল ২৫ টাকা ৭৪ পয়সা।
২০২৫ হিসাব বছরেও ব্যাংকটির আর্থিক সূচকে উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা যায়। ওই বছর সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫১ পয়সা, যেখানে ২০২৪ হিসাব বছরে তা ছিল মাত্র ৩২ পয়সা। এ সময়ে ব্যাংকের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ ও ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে।
এর আগে ২০২৪ হিসাব বছরে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি সাউথইস্ট ব্যাংক। ওই বছর ব্যাংকটির ইপিএস ছিল ৩২ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১ টাকা ৬০ পয়সা। ২০২৩ হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস দাঁড়িয়েছিল ১ টাকা ৬৬ পয়সা। ওই বছর বিনিয়োগকারীদের ৬ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়া হয়।
২০২২ হিসাব বছরেও ব্যাংকটির ইপিএস ছিল ১ টাকা ৪২ পয়সা। সে বছর ৬ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ব্যাংকটির পর্ষদ।
২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাউথইস্ট ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৩১ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার রয়েছে ১৪৩ কোটি ১০ লাখ ১৪ হাজার ১৩৫টি।
শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো অনুযায়ী, ব্যাংকটির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ৩১ দশমিক ১২ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ১ দশমিক ২২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ২৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।
![]()