সোমবার, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
সঠিক সংবাদের প্রয়াসে
  • হোম
  • বিশ্ব
  • বাংলাদেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউইয়র্ক
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • মতামত
  • অন্যান্য
No Result
View All Result
সঠিক সংবাদের প্রয়াসে
No Result
View All Result
  • হোম
  • বিশ্ব
  • বাংলাদেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউইয়র্ক
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • মতামত
  • অন্যান্য
প্রচ্ছদ অর্থনীতি

ইভি চলুক, রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারও থাকুক: আবদুল হক

ইউএসএ বাংলা ডেস্ক - ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
in অর্থনীতি, জাতীয়, বাণিজ্য, বাংলাদেশ, মতামত
Reading Time: 1 min read
A A
0
ইভি চলুক, রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারও থাকুক: আবদুল হক

আবদুল হক
সভাপতি , বাংলাদেশ রিকন্ডিশনড ভেহিকেলস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)

রাজু আলীম
বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাত এখন পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। একদিকে পরিবেশদূষণ কমাতে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা

রাজু আলীম

কমাতে ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ইভির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে দেশের ব্যক্তিগত গাড়ির বাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা রিকন্ডিশন গাড়ি ব্যবসা নানা ধরনের চাপের মুখে পড়ছে। আমদানি কমেছে, বিক্রির গতি কমেছে, শুল্ক ও করের বোঝা বেড়েছে এবং নতুন প্রযুক্তির গাড়িকে কেন্দ্র করে নীতিগত কাঠামোয় তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশনড ভেহিকেলস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) চতুর্থবারের সভাপতি নির্বাচিত আবদুল হক মনে করেন, ইভির প্রসারকে স্বাগত জানালেও এর জন্য রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারে বৈষম্যমূলক নীতি গ্রহণ করা হলে তা দীর্ঘমেয়াদে ভোক্তা ও সরকারের উভয়ের জন্যই সমস্যার কারণ হতে পারে। তাঁর মতে, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে, তবে একই সঙ্গে বাজারে প্রতিযোগিতার পরিবেশও বজায় রাখতে হবে। কারণ কোন প্রযুক্তির গাড়ি শেষ পর্যন্ত ক্রেতারা গ্রহণ করবেন, সেটিও বাজারনীতির গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

দেশের রিকন্ডিশন গাড়ি ব্যবসার বর্তমান চিত্র তুলে ধরে আবদুল হক বলেন, কয়েক বছর আগেও দেশে বছরে প্রায় ২৫ থেকে ২৬ হাজার রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানি হতো। এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। গত বছর প্রায় ২০ হাজার গাড়ি আমদানি হলেও এর মধ্যে নিবন্ধন হয়েছে মাত্র ৯ হাজার ৪০০টির মতো। অর্থাৎ আমদানির বিপরীতে বিক্রির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তাঁর মতে, এটি শুধু ব্যবসায়ীদের জন্য উদ্বেগের বিষয় নয়; বরং দেশের সামগ্রিক গাড়ির বাজারে চাহিদা, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা এবং নীতিগত চাপের সম্মিলিত প্রভাবেরই প্রতিফলন।

রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারকে কেবল আমদানি-নির্ভর ব্যবসা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মনে করেন তিনি। তাঁর হিসাবে, এই খাত থেকে সরকার প্রতিবছর প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায়। গাড়ির মোট বাজারমূল্য বিবেচনায় নিলে এর আকার ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এর সঙ্গে রয়েছে শোরুম, পরিবহন, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা, রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ, সার্ভিসিং ও অন্যান্য সহযোগী খাত। ফলে রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারে মন্দার প্রভাব একটি নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর অভিঘাত ছড়িয়ে পড়ে সংশ্লিষ্ট আরও অনেক খাতে।

গাড়ির দামের বিষয়টিও বাজারের বর্তমান সংকট বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আবদুল হক জানান, মডেল ও স্পেসিফিকেশনের পার্থক্যের কারণে রিকন্ডিশন গাড়ির দাম একেক রকম। জনপ্রিয় এক্সিও মডেলের গাড়ির দাম ২৫ থেকে ৩২ লাখ টাকা পর্যন্ত হলেও ২১ থেকে ২২ লাখ টাকার মধ্যেও গাড়ি পাওয়া যায়। আবার উচ্চমূল্যের গাড়ির ক্ষেত্রে দাম দেড় থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত উঠতে পারে। তাঁর মতে, আমদানি শুল্কের চাপ বিশেষ করে জ্বালানিচালিত গাড়ির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় গাড়ি কেনার সক্ষমতা কমে যাওয়ায় বাজারেও তার প্রভাব পড়েছে।

বাংলাদেশে রিকন্ডিশন গাড়ির প্রধান উৎস জাপান। বর্তমানে দেশটি থেকে রিকন্ডিশন গাড়ি আমদানির সুযোগ থাকলেও অন্য অনেক দেশ থেকে একই ধরনের গাড়ি আমদানির অনুমতি নেই। আবদুল হকের মতে, জাপানি গাড়ির প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তার পেছনে বড় কারণ হলো দেশটির কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পরিবেশগত মান, গাড়ির নিরাপত্তা, স্থায়িত্ব এবং দুর্ঘটনার সময় যাত্রী সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো সেখানে কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। এ কারণেই বিশ্বের বহু দেশ জাপানি রিকন্ডিশন গাড়িকে তাদের বাজারে গ্রহণ করেছে।

তবে বাংলাদেশের রিকন্ডিশন গাড়ি খাতের সবচেয়ে বড় উদ্বেগ শুল্ক কাঠামো নিয়ে। আবদুল হকের অভিযোগ, নতুন ও রিকন্ডিশন গাড়ির ক্ষেত্রে এমন একটি কর কাঠামো তৈরি হয়েছে, যেখানে রিকন্ডিশন গাড়ি তুলনামূলকভাবে বেশি চাপের মধ্যে পড়ছে। তাঁর দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, ইভির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন কর প্রায় ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২২৩ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। বিপরীতে রিকন্ডিশন গাড়ির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন করই প্রায় ৯৬ শতাংশ। এই পার্থক্যকে তিনি বাজারে নীতিগত ভারসাম্যহীনতার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন।

তবে ইভি প্রসারের ধারণার সঙ্গে বারভিডার দ্বিমত নেই—এ কথাও তিনি স্পষ্ট করেছেন। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তিনি স্বীকার করেন। কিন্তু তাঁর আপত্তি হচ্ছে নীতির প্রয়োগের ধরনে। পরিবেশ রক্ষার নামে একটি প্রযুক্তিকে সুবিধা দিতে গিয়ে আরেকটি প্রযুক্তিকে অপ্রতিযোগিতামূলক করে তোলা হলে তা বাজার অর্থনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না বলেই তাঁর মত।

আবদুল হকের দৃষ্টিতে, ইভি কোনো সাময়িক প্রবণতা নয়; এটি অটোমোবাইল প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ পরিবর্তনেরই অংশ। ফলে রিকন্ডিশন গাড়ি ব্যবসায়ীরা ইভিকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখে এর বিরোধিতা করলে বাস্তবতার সঙ্গে সেটি সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না। বরং প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে খাতটিকেও মানিয়ে নিতে হবে। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় হলো, এই রূপান্তরের সময় নীতিগতভাবে একটি প্রযুক্তিকে এগিয়ে দিতে গিয়ে অন্য একটি বাজারকে সংকুচিত করা উচিত নয়।

সম্পর্কিত

ঢাকাকে আঞ্চলিক কানেকটিং হাব করতে চায় ইউএস-বাংলা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা

বিশেষ করে রিকন্ডিশন ইভি আমদানির সুযোগ না থাকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর যুক্তি, নতুন ইভি আমদানির ক্ষেত্রে যেসব সুবিধা দেওয়া হচ্ছে, একই সঙ্গে নির্দিষ্ট মান, ব্যাটারি স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও পরিবেশগত শর্ত পূরণকারী রিকন্ডিশন ইভির জন্যও বাজার উন্মুক্ত রাখা যেতে পারে। উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের মতো দেশেও ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য নির্দিষ্ট মান ও ব্যাটারি সার্টিফিকেশনের শর্ত রয়েছে। বাংলাদেশ চাইলে অনুরূপ একটি নিয়ন্ত্রিত কাঠামো তৈরি করতে পারে।

তাঁর মতে, এই ধরনের ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে প্রতিযোগিতা বজায় রাখা। একদিকে ভোক্তা তার প্রয়োজন, আয় ও ব্যবহারের ধরন অনুযায়ী গাড়ি বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন, অন্যদিকে সরকারও মাননিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নিম্নমানের বা ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ির প্রবেশ ঠেকাতে পারবে। শুধু নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি প্রযুক্তিকে সরিয়ে রাখা কিংবা অন্য একটি প্রযুক্তিকে কৃত্রিমভাবে সুবিধা দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর বাজারনীতি হতে পারে না।

রিকন্ডিশন গাড়িকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি যে সমালোচনাটি করা হয়, তার একটি হলো—বাংলাদেশে পুরোনো ও ব্যবহৃত গাড়ি আমদানির মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত করা হচ্ছে। আবদুল হক এই অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেন। তাঁর যুক্তি, কোনো দেশ যদি মানদণ্ড নির্ধারণ করে এবং তা কঠোরভাবে প্রয়োগ করে, তাহলে রিকন্ডিশন গাড়ি মানেই নিম্নমানের গাড়ি—এমন ধারণার ভিত্তি থাকে না। বরং কী বয়সের গাড়ি আমদানি করা যাবে, কী ধরনের নির্গমন মানদণ্ড থাকতে হবে, ব্যাটারি ও যান্ত্রিক সক্ষমতা কেমন হতে হবে—এসব স্পষ্ট করে দিলে মানহীন গাড়ি ঠেকানো সম্ভব।

এখানে তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হলো, বাংলাদেশের নীতিতে প্রযুক্তির নামের চেয়ে মান ও নিরাপত্তাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। গাড়ি নতুন না রিকন্ডিশন—এটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তার চেয়েও জরুরি হলো গাড়িটি পরিবেশের জন্য কতটা নিরাপদ, যাত্রীর জন্য কতটা সুরক্ষিত, কতটা দীর্ঘস্থায়ী এবং ভোক্তার জন্য অর্থনৈতিকভাবে কতটা যুক্তিসংগত।

বারভিডা দেশের অটোমোবাইল খাতে কতটা ভূমিকা রাখছে—এ বিষয়ে আবদুল হক বলেন, দেশের রাস্তায় যে বিপুল সংখ্যক গাড়ি চলছে, তার প্রায় ৯০ শতাংশই তাদের সদস্যদের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, রিকন্ডিশন গাড়ি ব্যবসা এখন আর বিচ্ছিন্ন আমদানি ব্যবসা নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্পে রূপ নিয়েছে। এই খাতে বিনিয়োগ রয়েছে, কর্মসংস্থান রয়েছে এবং সরকারের জন্য বড় রাজস্বও রয়েছে। ফলে নীতিনির্ধারণের সময় শুধু একটি প্রযুক্তির বাজার সম্প্রসারণ নয়, বিদ্যমান শিল্প কাঠামো ও তার অর্থনৈতিক অবদানকেও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

তাঁর বক্তব্যে ভোক্তার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে কোনো প্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দেওয়া স্বাভাবিক হলেও সেটি বাজারের গ্রহণযোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা বিবেচনা করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গাড়ির প্রযুক্তি বেছে নেন ভোক্তা। কোনো প্রযুক্তির প্রতি সরকারের নীতিগত সমর্থন থাকতে পারে, কিন্তু বাজারে তার চাহিদা তৈরি করতে হলে সেটিকে ভোক্তার প্রয়োজন, মূল্য, ব্যবহারিক সুবিধা, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় এবং পুনর্বিক্রয় মূল্য—সবকিছুর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

বিশেষ করে জাপানি রিকন্ডিশন গাড়ির স্থায়িত্ব ও পুনর্বিক্রয়মূল্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে ব্যবহারযোগ্যতা, যন্ত্রাংশের প্রাপ্যতা এবং নির্ভরযোগ্যতার কারণে এসব গাড়ির আলাদা বাজার তৈরি হয়েছে। এর বিপরীতে নতুন প্রযুক্তির ইভির ব্যাটারির আয়ুষ্কাল, পরিবর্তন ব্যয় এবং ব্যাটারি ব্যবস্থাপনার মতো কিছু বিষয় এখনো ভোক্তার বিবেচনায় রয়েছে। এসব বিষয়কে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র প্রযুক্তির নতুনত্বের ভিত্তিতে বাজারনীতি নির্ধারণ করা ঠিক হবে না বলে তাঁর মত।

চলতি বাজেট নিয়েও তিনি সন্তুষ্ট নন। তাঁর ভাষ্য, ইভি খাতকে কিছুটা সুবিধা দেওয়া হলেও রিকন্ডিশন গাড়ি খাতের সমস্যা সমাধানে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা হয়নি। বিশেষ করে কর ও শুল্ক কাঠামোয় যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে, সেটিকে তিনি এ খাতের জন্য অশনিসংকেত হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, শিল্পের বাস্তবতা, সরকারের রাজস্ব আয় এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা—তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে বিবেচনা করেই নীতিমালা প্রণয়ন করা উচিত।

আবদুল হকের বক্তব্যের সারকথা হলো, অটোমোবাইল খাতে ভবিষ্যতের প্রযুক্তিকে ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব নয়, আবার বিদ্যমান বাজারকেও অস্বীকার করা যাবে না। ইভি আসবে, আরও নতুন প্রযুক্তি আসবে, কিন্তু সেই রূপান্তর হতে হবে পরিকল্পিত ও প্রতিযোগিতামূলক উপায়ে। একটি প্রযুক্তিকে জায়গা করে দিতে গিয়ে অন্য একটি খাতকে অতিরিক্ত করের বোঝা বা আমদানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ফেলে দেওয়া হলে বাজারের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হবে।

বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাত এখন এমন একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে পরিবেশ, রাজস্ব, বৈদেশিক মুদ্রা, ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা এবং শিল্পের ভবিষ্যৎ—সবকিছুকে একই নীতির ভেতরে বিবেচনা করতে হবে। আবদুল হকের মতে, সমাধান কোনো প্রযুক্তিকে বাদ দেওয়ার মধ্যে নয়; বরং মানসম্মত ও পরিবেশবান্ধব সব ধরনের গাড়ির জন্য একটি স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক এবং বৈষম্যহীন বাজার কাঠামো তৈরি করাতেই।

রাজু আলীম
কবি, সাংবাদিক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব

শেয়ারTweetPin

সম্পর্কিতপোস্ট

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই
জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত নেই

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রতারণার অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ
আন্তর্জাতিক

প্রতারণার অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

ঢাকাকে আঞ্চলিক কানেকটিং হাব করতে চায় ইউএস-বাংলা

ঢাকাকে আঞ্চলিক কানেকটিং হাব করতে চায় ইউএস-বাংলা

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

ইভি চলুক, রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারও থাকুক: আবদুল হক

ইভি চলুক, রিকন্ডিশন গাড়ির বাজারও থাকুক: আবদুল হক

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

উল্কাসেমির হাত ধরে সেমিকন্ডাক্টরে বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা : নেপথ্যে প্রকৌশলী মোহাম্মাদ এনায়েতুর রহমান

উল্কাসেমির হাত ধরে সেমিকন্ডাক্টরে বিলিয়ন ডলার রপ্তানী সম্ভাবনা : নেপথ্যে প্রকৌশলী মোহাম্মাদ এনায়েতুর রহমান

- ইউএসএ বাংলা ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
0

0

usa bangla logoo

সঠিক সংবাদ সবার আগে পেতে ইউ এস এ বাংলার সাথেই থাকুন!
ইউ এস এ বাংলা সারা বিশ্বে বাংলার মুখ!

Follow us on social media:

ইউএসএ বাংলা নিউজ
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : জালাল আহমেদ।
সম্পাদক : রাজু আলীম 

  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • লিখতে চাইলে
  • যোগাযোগ

বিভাগ

  • English News
  • অন্যান্য
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • চাকরি
  • জাতীয়
  • নিউইয়র্ক
  • প্রযুক্তি
  • বাণিজ্য
  • বাংলাদেশ
  • বিনোদন
  • বিশ্ব
  • ভারত
  • মতামত
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • রাজনীতি
  • শিক্ষা
  • সাফল্য
  • সারাদেশ
  • সাহিত্য
  • সুস্বাস্থ্য

সর্বশেষ

ঢাকাকে আঞ্চলিক কানেকটিং হাব করতে চায় ইউএস-বাংলা

ঢাকাকে আঞ্চলিক কানেকটিং হাব করতে চায় ইউএস-বাংলা

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ফিরছে আমানতকারীদের আস্থা

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • লিখতে চাইলে
  • যোগাযোগ

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • হোম
  • বিশ্ব
  • বাংলাদেশ
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • নিউইয়র্ক
  • বিশ্ব
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • খেলা
  • চাকরি
  • মতামত
  • অন্যান্য

© 2026 JNews - Premium WordPress news & magazine theme by Jegtheme.