দাঁড়িয়ে হাঁটা সবার জীবনের লক্ষ্য না। কিছু মানুষ আছে যারা হাঁটবে শুয়ে শুয়ে। তাদের মুখের সাম্নে কেউ ধরে রাখবে আঙুরের থোকা। এসির পাশে দাঁড়িয়ে হাতপাখা নাড়াবে কেউ। পায়ের নিচে একজন মোসাহেব থাকবে মুখের কথার ফুলঝুরিতে তার সারা শরীরে তেল মেখে দেয়ার জন্য। তাদের নাক হবে লাউয়ের ডগার মতো উঁচু। হাতে গরীব মানুষের ছোঁয়া লাগলে ভাইরাসের সংক্রামনে এরা অসুস্থ হবে। এদেরকে গালাগাল দেবেন না। যারা এদের আশেপাশে থাকে তাদের ঠাঁটায় থাপ্পড় মারেন। পরিবেশ দুষিত করার জন্য মুলত এই মোসাহেব রা দায়ী।
সাফল্যের চুড়ায় উঠে গেলে মোসাহেবদের ভীড়ে দাঁড়িয়ে হাঁটা একটু কঠিন। তবু কঠিন কাজটি করুন। ফেসবুকে হাঁটার চেয়ে বাসা থেকে তিন কিলোমিটার হাঁটা উত্তম। শিঁরদাঁড়া সোজা থাকবে। আই লেভেল ঠিক থাকবে। ডাঃ এর কাছে কম দৌড়াদৌড়ি করতে হবে। যতদিন বাঁচবেন, মানুষ ভয় না, সম্মান করবে। খাবারে তেল বেশি খেলে যেমন মেদ বাড়ে, শরীরে তেল বেশি মাখলেও মনে হয় চুরি করতে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেউ। আপনি নিশ্চয়ই চান না গোপনে আপনাকে সবাই চোর বলুক।![]()
শয়তানের ধোঁকা বলে যে ওয়াজটা আমরা শুনি ঐ শয়তান মুলত মোসাহেবরা। আমি এক ডাঃ কে চিনতাম যিনি ফার্মাসিস্ট দের কাছ থেকে গিফটের বদলে তাদের কোম্পানির ওষুধ চাইতেন। মাসে দুই সপ্তাহে ত্রিশ করে ষাটজন রুগী দেখতেন। গরীব রুগীদের সেই ওষুধ থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দিয়ে দিতেন। বিশেষজ্ঞ ডাঃ হওয়ার সুবিধা নিতেন এভাবে, প্রেস্ক্রিপশনে লিখতেন অমুক হসপিটালে এই রুগীর সকল টেস্ট ১০০% ফ্রি।
উনি মুলত সোজা হয়ে হাঁটতেন। হাঁটুন হাঁটুন, হাঁটার অভ্যাস করুন। যতদিন বাঁচবেন, সুস্থ হয়ে বাঁচুন। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি আপনার মানসিক সুস্থতা পরিবেশে আরেকটি গাছের জন্ম দেবে। যা আপনার কার্বন নির্গমনকে গ্রহন করে পরিবেশে বিশুদ্ধ অক্সিজেন ছড়াবে। আপ্নার বেঁচে থাকা আনন্দময় হোক।
সুস্থ-সুন্দর-শুভ সকাল।
তাসনুভা মোহনা
![]()